সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা।। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় শিশুদের জগড়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলায় ৬ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, খাসতাল গ্রামের মৃত দ্বীন ইসলামের ছেলে মোক্তার হোসেন(২৫), ফিরোজ মিয়ার ছেলে সাফজল হোসেন(১৮), আ: খালেক(২৯), একই গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে ফিরোজ মিয়া(১৮), মৃত ইব্রহিম মিয়ার ছেলে হযরত আলী(৩৮) ও মৃত ইদু মিয়ার ছেলে সালাম মিয়া(৪০), সুরুজ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়া(৩২)।
এদের মধ্যে গুরুতর আহত সাফজল হোনেকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ও মোক্তার হোসেনকে তাহিরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তী করা হয়। এবং অন্যান্য আহতদের প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আজ ১৭ মে সোমবার গুরুতর আহত মোক্তার হোসেনের আবস্থার অবনতি হলে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে সিলেট উসমাণী মেডিকেল কলেজ হাসপতালে প্রেরণ করে।
এ ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার দুপুর ১২ টার সময় উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বাদাঘাট খাসতাল রাস্তার নাছির উদ্দিনের বাড়ির সামেনের রাস্তার মোড়ে।এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মাসুক মিয়া(অরুপে মাসুক সরদার) বাদি হয়ে ১৭ মে রোববার বিকালে তাহিরপুর থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৪/৫ জনের নাম অজ্ঞাত রেখে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, শিশুদের জগড়াকে কেন্দ্রকরে খাসতাল গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়ার পরিবার ও একই গ্রামের মৃত ফালু মিয়ার ছেলে গোলাম মোস্তফা(৪৫) ও গোলাম রব্বানী(৩৫) ও ইদ্রিছ মিয়ার ছেলে আবুল কালামের পরিবারের মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরধরে গতকাল ১৬ মে রোববার দুপুর ১২ টার সময় মাসুক মিয়া বালু বিক্রয় করে ২ লক্ষ টাকার নিয়ে বাদাঘাট বাজার থেকে মোটার সাইকেল যোগে বাড়ি যাওয়ার পথে তার পথরোধকরে প্রতিপক্ষ আবুল কালাম, গোলাম মোস্তফা ও শিবলু মিয়াসহ ১০/১৫ জনের এক গ্রæপ তাকে মারধর করে মোটরসাইকে ভাংচুর করে। এবং এসময় তার সাথে থাকা বালু বিক্রির ২ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরে এই খবর পেয়ে মাসুকের চাচাত ভাই খালেক , সাফজল ও তার ভাতিজা মোক্তার হোসেন আবুল কালাম, গোলম মোস্তফাকে জিজ্ঞেস করতে গেলে দুপুর ২ টার সময় আবুল কালাম , দ্বীতিয় দপায় গোলাম মোস্তফাসহ তার আত্নীয় স্বজন মিলে প্রায় ২০ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে রমদা দিয়ে মোক্তর হোসেনের মাথার ডান পাশে কুপ দিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ডান পা ভেঙ্গে ফেলে গুরুতর আহত করে। এবং সাবজলের মাথায় আগত করে তাকেও গুরুতর আহত করে। ও খালেকের চোখের উপরে , মাথায় ও শরীরের লোহার রড দিয়ে এলাপাতারি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
এরই জেরধরে আবারও ১৭ মে সোমবার ভোর রাতে আবুল কালাম ও গোলাম মোস্তফার লোকজন মিলে খালেকের পিতা ফিরোজ মিয়ার হাঁসের খামারে গিয়ে হামলা করে ফিরোজ মিয়ার প্রায় ৬০ হাজার টাকার শতাধিক হাঁস মেরে ফেলে। এবং ৫০ টি হাঁন লোটকরে নিয়ে যায়।
এব্যপারে তাহিরপুর থানার অভিযোগের সত্যাতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি , অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তর্পূবক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।