আহসান টিটু,বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা।। ওভার লোড ট্রাক ও যানবাহনের কারণে নষ্ট হচ্ছে ফকিরহাটের মহাসড়ক, বাড়ছে দুর্ঘটনা। বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটে কাটাখালী ও নোয়াপাড়া হলো দক্ষিণ বাংলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক। রাজধানী ঢাকার সাথে বিভাগীয় শহর খুলনা-বরিশাল ও বন্দর নগরী মোংলা-বাগেরহাট জোলার মহাসড়কের সংযোগকারী চত্বর এখানে।
এ ব্যস্ত মহাসড়কে প্রতিদিন শত শত যানবাহনে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুন পরিমানে মালামাল ও পন্য সমগ্রী বহন করায় সড়ক ও ব্রীজগুলি চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ অঞ্চলের জাতীয় মহাসড়ক ও তার উপর নির্মিত ব্রীজগুলি টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এখনই অতিরিক্ত ওজনের মালামাল বহনের উপর নিয়ন্ত্রন না আনলে আগামী বর্ষা মৌসুমে সড়ক ও ছোট বড় ব্রীজগুলি যানবাহন চলাচল উপযোগী থাকবে কি-না সংশয় দেখা দিয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম দিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ খুলনা-বাগেরহাট ও মোংলাসহ বেশ কয়েকটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মহাসড়ক পূনঃ সংস্কারের কাজ শেষ করে। এছাড়া টাউন নোয়াপাড়া ভায়া বাগেরহাট মহাসড়কের কাজ বর্তমানেও চলমান রয়েছে। কিন্তু সেই সমস্ত মহাসড়কে এখন ২২ চাকার ট্রেইলার-লংসেল, ১০ চাকা ও ৬ চাকা বিশিষ্ট ভারী ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুন পরিমান ওজনের মালামাল ও পণ্য সামগ্রী বহন করে আসছে।
নিয়মানুযায়ী ট্রাকে ২২/২৫ টনের বেশি সিমেন্ট পাথর ও অন্যান্য মালামাল পরিবহন করা যাবে না। কিন্তু ট্রেইলার/লংসেল ড্রাম ট্রাক কভারভ্যান ও কন্টিনার সহ অন্যান্য যানবাহনের চালকরা সে নিয়মের কোন তোয়াক্কা করছেনা। যে কারণে সড়ক, মহাসড়ক ও ব্রীজগুলি ফাটল ধরে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
এ বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে বাগেরহাট-খুলনা-মংলা-ঢাকা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসাবে পরিচিত কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডে পূনঃ সংস্কারের কাজ করা হয়। কাটাখালী স্থানে যানবাহনের ওজন নির্ণয়ক যন্ত্র স্থাপন করা হলেও তা পড়ে আছে অবহেলায়। স্থানীয়দের মতে, বর্তমানে উক্ত মহাসড়কে ২২/২৫ টনের স্থানে ৪০/৪২ টনের অধিক ওজনের মালামাল বহন করছে। ফলে সড়কের ক্ষতির সাথে সাথে সড়ক দূর্ঘটনার পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। আহসান টিটু।