চরফ্যাশন প্রতিনিধি।। চরফ্যাশন উপজেলার দুলার হাট থানা এলাকায় বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি হিসাবে পরিচিত ইয়াজ আল রিয়াদের বড় ভাই মুরাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ মানুষ।
এবং ইয়াজ আল রিয়াদ এর বড় ভাই মুরাদ
একাধিক মামলার আসামী,ইয়াজ আল রিয়াদের সহযোগীতায় পলাতক।
উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়নে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসাবে মুরাদ পরিচিত খুন থেকে শুরু করে ধর্ষন,মাদক,ইয়াবা,গাজা ইত্যাদি ব্যাবসায়ের সাথে জরিত মুরাদ। একজন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির বাবা প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ বিরোধী করে কি করে?
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি
ইয়াজ আল রিয়াদের ছত্রছায়ায় তার বড় ভাই মুরাদ টেকনাফ ও মায়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ব্যাবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে ভোলাসহ দক্ষিণ অঞ্চলের পরিচিত হয়েছেন মাদকের ডিলার ।
ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ ও তার পরিবার মাদক ব্যাবসা করে গড়েছে অবৈধ সম্পদের পাহাড় এলাকায় মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।
দুলারহাট থানা পুলিশ মুরাদকে গ্রেফতার করলেও ইয়াজ আল রিয়াদ ক্ষমাতার অপব্যাবহার করে মুরাদকে মুক্ত করে নিয়ে যান।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে মাদক এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন সেখানে কিভাবে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদসহ তার ভাই মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ।
মাননীয়_প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে প্রশ্ন
আওয়ামী বিরোধি পরিবারের সদস্য কি করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি হয়?
এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীর ভাই ও যার বাবা আওয়ামী বিরোধী তাকে আপনারা কিভাবে এই রকম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রেখেছেন?