অনুমোদন না থাকলেও ক্লিনিকটি করোনার নমুনা সংগ্রহ করে আসছিল। এমনকি, রূপপুরে পরিত্যক্ত ইটভাটার মাঠে তাবু বসিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শতাধিক শ্রমিক ও কর্মকর্তার নমুনাও সংগ্রহ করেছে তারা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নমুনা পাঠানোর কথা বলে প্রতিজনের কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়েছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় ক্লিনিক মালিক আব্দুল ওহাব রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সহযোগী নাটোরের বড়াইগ্রামের সুজন আহমেদ এখনো পলাতক।
এ প্রসঙ্গে পাবনা সিভিল সার্জন মেহেদী ইকবাল বলেন, তাদের লাইসেন্স দেয়া হয়নি লাইসেন্স না পেয়ে তো তারা কোন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। তারা যে এই স্যাম্পল কালেকশনের কাজট করছে সে বিষয়ে তারা তো আমাকে অবগত করেনি। আমাদের চিঠি পাবার পরেও তারা কর্যক্রম পরিচালনা করছিলো। এই অভিযোগের পাবার পর তাদের কর্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য আমি কড়াভাবে নির্দেশ দিয়েছি।























































