ঢাকা।। দুই দফা জিজ্ঞাসাবাদে করোনা পরীক্ষায় অনিয়মে ডাক্তার সাবরিনা চৌধুরীর জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার দ্বিতীয় দফা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান ডিএমপির উপ-কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, শিগগিরই সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হবে। সরকারি ডাক্তার হওয়ার পরও জোবেদা খাতুন হেলথকেয়ার- জেকেজি প্রকল্পে নিয়ম না মেনে চেয়ারম্যান থাকার অভিযোগ রয়েছে সাবরিনার বিরুদ্ধে। এ প্রতিষ্ঠান থেকেই তিনি করোনার ভুয়া সনদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ পুলিশের। সাবরিনা চৌধুরীকে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ নিয়ে মোট ৫ দিন রিমান্ডে ছিলেন সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। গত শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। তারও আগে ১৩ জুলাই ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
এর আগে ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির জন্য ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানতে পারে, জেকেজি হেলথ কেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে।
এর মধ্যে দিয়ে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। জব্দ করা ল্যাপটপে এর প্রমাণ মিলেছে।
আরিফ চৌধুরী জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, জেকেজির ৭ থেকে ৮ জন কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করতেন।
এদিকে ডা. সাবরিনাকে ১২ জুলাই গ্রেপ্তারের পর এদিন বিকেলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক অফিস আদেশে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া ডা. সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।