সফিকুল ইসলাম নাহিদ নবীগঞ্জ থেকে।।নবীগঞ্জে ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাৎ ও সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পে অনিয়ম করায় নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ইউওনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সরিষপুর গ্রামের মৃত শাহ ফিরোজ মিয়ার পুত্র মোঃ শাহ আলম।অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,ভয়াবহ করােনা ভাইরাসের কারণে অসহায় কর্মহীন গরীব মানুষের উদ্দেশ্যে প্রধান মন্ত্রী সারা বাংলাদেশে ৫০ লক্ষ পরিবার – কে আড়াই হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিয়েছেন এবং অসংখ্য গরীব অসহায় মানুষ কে ১০ টাকা কেজি চাল দিয়েছেন ।
ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম , গরীব অসহায় পরিবারের নাম গুলাে চূড়ান্ত তালিকা ভূক্ত করেছেন । কিন্তু দুঃখের বিষয় তালিকা দেখে জানতে পারলাম উক্ত সদস্য নজরুল ইসলাম তার নিজ পরিবারের ৬ জনের নাম ১০ টাকা কেজি চাল ও ঈদ উপহারের আড়াই হাজার টাকার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছেন ।
এবং উক্ত সুবিধা ভােগ করেছেন । যা সম্পূর্ণ অন্যায় অনিয়ম ও নীতিবিরােধী কাজ।শাহ রামেনা আক্তার সরিষপুর বসবাস করেন । স্বামীর বাড়ী থাকে ওর নামের চাল সদস্য নজরুল ইসলাম তুলে নিজে ফায়দা লুটিতেছে । তার পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ৭ সদস্য গুলো হলেন,আপন ভাই মইনুল ইসলাম ঘোরী,আশরাফুল ইসলাম ঘোরী,তাজুল ইসলাম ঘোরী,ফয়জুল ইসলাম ঘোরী,আপন ভাতিজা ফয়সল ইসলাম ঘোরী,ছেলে মাহমুদুল হোসাইন, শালিকা শাহ রোমেনা আক্তার।
উল্লেখ্য সরিষপুর গ্রামের গরীব অসহায় মৃত আব্দুর গফুরের পুত্র আব্দুর রেজাক দুঃখের বিষয় এখনো তার ছন বাশের ঘর বিদ্যমান।৮ নং ইউপির ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলামের কাছে একটি সৌর বিদ্যুৎ চেয়ে ছিল । কিন্তু তার কাছে টাকা দাবী করে এই গরীব অসহায় আব্দুর রেজাক টাকা না দিতে পারায় আব্দুর রেজাকের বাড়িতে সমস্য নজরুল ইসলামের মামাতো ভাই চুনু মিয়া কে টাকার বিনিময়ে সৌর বিদ্যুৎ দিয়ে দেয়। তার আপন ভাই ফয়জুল ইসলাম কে আরো ১ টি সৌর বিদ্যুৎ দিয়ে দেয়।
সদস্য নজরুল ইসলামের মামাতো ভাই চুনু মিয়া ও তার ভাই ফয়জুল ইসলাম ইচ্ছা করলে নিজের টাকায় সৌর বিদ্যুৎ ক্রয় করতে পারে । তার মামাতো ভাই চুনু মিয়ার ছেলে বিদেশে বড় অংকের টাকা উপার্যন করে । ২ নং ওয়ার্ডে অনেক কর্মহীন , অসহায় , গরীব পরিবার থাকার পর ও সদস্য নজরুল ইসলাম তার পরিবারের ৬ জনের নাম অন্তর্ভূক্ত করায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীর্ব ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ।
এর ন্যায় বিচার চাই এমতাবস্থায় উক্ত দুর্নীতি বাজ সদস্য নজরুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনি পদক্ষেপের গ্রহন একান্ত প্রয়ােজন । উল্লেখ্য উক্ত সদস্য নজরুল ইসলাম শতাধিক মানুষের নিকট হতে ৫/৭ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়ে যায় । এলাকার গরীব অসহায় মানুষকে ৪ লক্ষ টাকার ঘর দিবে বলে , ১ বছর অতিবাহিত হয় তাদের ঘর পায় নাই। তাদের টাকা ফেরৎ চাহিলে তাদের কে হুমকি দেয় জেল হাজতে ডুকিয়ে দেবে । সদস্য নজরুল ইসলাম এর আপন মামা জজ কোর্টের এডভােকেট সদস্য নজরুল ইসলাম এক সময়ে ফৌজদারী কোর্টের মােহরার ছিল ।
এই কারণে গরীব অসহায় মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না । বয়স্ক ভাতা , বিধবা ভাতা , পঙ্গু ভাতা , গর্ভ ভাতা , টাকা ছাড়া কাহারও নাম অন্তর্ভূক্ত করে না এই ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম।নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।