সোমবার (১১ মার্চ) সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরিত এক চিঠিতে তিনি এই পদত্যাগের কথা জানান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, সোমবার (১১ মে) থেকেই তার এই পদত্যাগ কার্যকর হবে। পদত্যাগপত্রে মুমিত হাসান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান ও দায়মুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, তার পদত্যাগের তারিখ হতে ইউনিয়নের কোনো সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বা সিদ্ধান্তের ফলে কোনো পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন না।
বিশেষ করে,সংগঠনের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান ও বিকেএসপি তায়কোয়ানডো বিভাগের কোচ মো. রাশিদুল হাসানের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর্মকাণ্ডের ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে, তার কোনো আইনি বা আর্থিক দায়ভার মুমিত হাসানের ওপর বর্তাবে না বলে তিনি চিঠিতে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। একই সাথে তিনি বিভিন্ন দেশের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
মুমিত হাসান জানান যে, অতীতে কোরিয়া, ভিয়েতনাম,থাইল্যান্ড ও আমেরিকার ভিসার জন্য যারা আবেদন বা ভ্রমণ করেছিলেন, সেই প্রক্রিয়ার সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। ফলে এসব বিষয়ে ভবিষ্যতে কোনো আর্থিক বা আইনি জটিলতা সৃষ্টি হলে তার দায়ভার তিনি গ্রহণ করবেন না। চিঠিতে তিনি তাকে যাবতীয় দাপ্তরিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে দ্রুত অব্যাহতি প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ইউনিয়নের কোনো প্রকার প্রশ্ন বা দাপ্তরিক জটিলতা থাকলে তা আগামী ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি। উক্ত সময়ের পর কোনো প্রকার যোগাযোগ বা আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও তিনি চূড়ান্তভাবে জানিয়েছেন।
এবিডি.কম/রাজু