pinuppin uppin up casinopinup azpinappinup casinopin-uppin up onlinepin up azpinuppin uppin up casinopinappin up azpin up azerbaycanpin-uppinuppin uppin up casinopinup azpinup azerbaycanpin up azerbaycanpin up azerbaijanpin up azpin-uppin up casinopin up casino gamepinup loginpin up casino indiapinup casinopin up loginpinup indiapin up indiapin up bettingpinup loginpin up casino indiapinup indiapin uppinuppin-uppin up 777pin up indiapin up betpin uppin up casinopinup loginpin-up casinopin-uppinup indiapin up kzpinup kzpin-up kzpinuppin up casinopin uppin up kzпинапpin-uppin uppinuppin-upmostbetmosbetmosbet casinomostbet azmosbetmostbetmostbet casinomostbet azmostbet az casinomosbet casinomostbet casinomostbetmostbet aviatormostbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet aviatormostbet casinomostbetmastbetmostbet onlinemosbetmosbetmostbetmosbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet casino kzmostbet kzmostbetmostbet casinomostbet onlineмостбетmosbetmosbet casinomostbetmostbet kz1 win aviatoraviator 1 winaviator mostbetaviator1 win casino1win kz casino1 win bet1win kz1win casino1 winonewin casino1 winonewin app1 win game1 win aviator game1win1 win1win uz1win casino1 win online1 win1win casino1win aviator1 win1win casino1win1win aviator1 win1win casino1win online1 win az1win lucky jet1win1 win1 win az1win1win casino1win1 win1 win casino1win slot1win apostas1win slots1win apostalucky jetlucky jet casinolucky jetlucky jet crashlucky jet crashlucky jet casinomostbet lucky jetluckyjetlukyjetlucky jetlucky jet crashlucky jetlucky jet casino4rabet pakistan4rabet4era bet4rabet bd4rabet bangladesh4rabet4rabet game4r bet4rabet casino4rabet4r bet4rabet bd4rabet slots4a bet4era bet4x bet4rabet indiaparimatchmosbet casinomosbet kzmostbetmostbet kzmostbet aviatormosbet aviatormosbetmostbet aviatormostbetmosbetmostbetmosbetmosbet indiamostbetmosbetmostbet india1win cassino1 win casino1 win
লোহাগাড়ার চুনতি হিমছড়ি জনবসতি এলাকায় দলছুট বন্যহাতির বাচ্চা

লোহাগাড়ার চুনতি হিমছড়ি জনবসতি এলাকায় দলছুট বন্যহাতির বাচ্চা

অমিত কর্মকার,লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি।।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া চুনতিতে সাতগড় বিটের হিমছড়ি জনবসতি এলাকায় দেড় মাসের একটি দলছুট বন্যা হাতির বাচ্চা এলোমেলো ভাবে ঘুরাফেরা করছিল। স্থানীয় লোকজন ও উপকারভোগীরা হাতির বাচ্চাটিকে দেখতে পেয়ে দক্ষিণ বন বিভাগের চুনতি রেঞ্জাধীন সাতগড় বিটের কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। পরে উপকারভোগীদের সহায়তায় গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু হাতির বাচ্চাটি পুণরায় লোকালয়ে চলে আসলে স্থানীয়রা ও সাতগড় বনবিট কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ, বনকর্মীদের সাথে নিয়ে দুর্গম পাহাড়ী এলাকা হতে আমরা দলছুট হাতির বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে। গতকাল সন্ধ্যায় হাতির বাচ্চাটি বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে হস্তান্তর করি।

বর্তমানে বন্য হাতির বাচ্চাটি বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোস্তফিজুর রহমানের তত্বাবধানে নিবিড় পরিচর্চায় রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পদুয়ার সহকারী বন সংরক্ষক কর্মকর্তা শওকত ইমরান আরাফাত নিশ্চিত করেছেন।

সবুজের মাঝে আঁখ ক্ষেত
ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে চাষীদের
অমিত কর্মকার, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার টঙ্কাবতীর খাল ঘেঁষে জেগে উঠেছে বালুচর। একদা আদাচাষের জন্য বিখ্যাত ছিল এ’চর। যে কারণে এ’চরের নামকরণ হয়েছে আদারচর। বিশাল আয়তন বিশিষ্ট এ’চর বর্তমানে শাক-সবজি উৎপাদনের চারণভূমি। উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের পূর্ব সীমানায় এ’আদারচর। চরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে স্রোতস্বনী টঙ্কাবতী খাল। খালের গতির পরিবর্তনের কারণে এ’চরাঞ্চল সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় প্রবীণ লোকেরা জানিয়েছেন। ফলে, চরাঞ্চলের উপকারভোগী কৃষকেরা সারা বছর কর্মব্যস্ত থাকেন চাষাবাদ নিয়ে। সা¤প্রতিককালে এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে, এ’চরাঞ্চলে শাক-সবজির ক্ষেতের পাশাপাশি সারি-সারি আঁখ ক্ষেত। প্রচুর চাহিদা আছে এ’আঁখের। দূর-দূরান্তের পাইকারী ক্রেতারা এলাকায় এসে ক্ষেতের মালিকদের কাছ থেকে ক্রয় করে নিজেদের পছন্দের এলাকায় নিয়ে বিক্রি করেন। আবার, ক্ষেতের মালিকেরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় ভ্যান গাড়ি যোগে স্থানীয় বিভিন্ন হাট-বাজারেও বিক্রি করেন। বর্তমান মৌসুমে আঁখের উৎপাদন, চাহিদা ও সরবরাহ প্রচুর। উপজেলার আরো বিভিন্ন এলাকায় আঁখ উৎপাদন হয় বলে জানা গেছে। তা’ই এ’আঁখ অন্যতম অর্থকরী ফসল হিসেবে বিবেচিত। এলাকা পরিদর্শনকালে আদার চরের আখচাষী জনৈক রেখা বড়–য়া জানান, চরের প্রায় ৪০ শতক জায়গা খাজনার উপর চুক্তি করে অপরজন থেকে নিয়ে তিনি আঁখ চাষ শুরু করেন কয়েক বছর পূর্ব হতে। আঁখ চাষে লাভবান হওয়ায় তিনিসহ এলাকার রানু বড়–য়া, স্বপন বড়–য়া প্রমুখ আঁখ চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েন।
আঁখ চাষ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বছরের আগষ্ট- সেপ্টেম্বর মাসে আবাদী জায়গায় সারি-সারি গর্ত করে ভাল জাতের আঁখের ডগা রোপন করেন। প্রয়োজন মতো গোবরসহ নানা ধরণের সার প্রয়োগ করে প্রয়োজন মতো পানি দেন। ডগা বড় হতে থাকলে সময়মতো কীটনাশক ঔষধ ছিটিয়ে পোকা-মাকড় ধ্বংস করেন এবং ক্ষেত সব সময় আগাছামুক্ত রাখেন। প্রতিনিয়ত ক্ষেতের পরিচর্যা করেন। রোপন থেকে কাটা পর্যন্ত তাঁর ২৫-৩০ হাজার টাকা ব্যয় হয় বলে উলে­খ করেন। পুরো এক বছর পর পরবর্তী আগষ্ট- সেপ্টেম্বর মাসে আঁখ বড় হলে কেটে বিক্রি করেন পাইকারী ও খুচরা মূল্যে। বর্তমান মৌসুমে আঁখ বিক্রি করে কত পেতে পারেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, বাজার দর ভাল থাকলে আঁখ বিক্রি বাবদ তাঁর লক্ষাধিক টাকা উপার্জন হতে পারে। বাজারজাতকরণ সম্পর্কে তিনি জানান, কোন কোন সময় দূর-দূরান্তের পাইকারী ক্রেতারা এসে ক্ষেতে থাকা অবস্থায় ক্রয় করেন। আবার, তাঁরা ভ্যানগাড়ি যোগে প্রতিটি ৬০/৫০/৩০ টাকা বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করেন।
উলে­খ্য, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঁখ উৎপাদন, চাহিদা ও সরবরাহ খুবই সন্তোষজনক। এ’কারণে আদারচরের আঁখ চাষীরা স্বাবলম্বী। ##
সংবাদ প্রেরক : অমিত কর্মকার, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম। তাং-১২/১১/২০১৯ইং, মোবাইল : ০১৫৩৭৩১৫৬৮০।

Please Share This Post in Your Social Media

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত: ২০১৮-২০২৩ © আমাদেরবাংলাদেশ.ডটকম