আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। নরসিংদীতে যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দেয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ রুমা আক্তার পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যুবরণ করেছেন। শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে মৃত্যু হয় তার। এ ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।
নরসিংদী সদর উপজেলার শিলমান্দি ইউনিয়নের রাজমিস্ত্রি কাজল মিয়ার মেয়ে রুমার সাথে দেড় বছর আগে মাধবদীর গদাইরচর এলাকার বিপ্লব মিয়ার বিয়ে হয়। এরপর থেকেই রুমার পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলো বিপ্লব ও তার পরিবারের সদস্যরা। টাকা দিতে না পারায় আগে একাধিকবার কলহ হয়।
গত ১৬ ডিসেম্বর দুপুরে এ নিয়ে তাদের মধ্যে পুনরায় বিবাধের সৃষ্টি হয়। এসময় বিপ্লব ও তার অপর দুই ভাই সৌরভ ও সৈকত এবং বাবা দুলা মিয়া প্রথমে রুমাকে আঘাত করে ও পরে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন।
এসময় চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় রুমা আক্তারের। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ও শশুরকে আটক হয়েছে। বাকি দুই আসামীকেও শিগগিরি আটক করা হবে বলে জানায় পুলিশ।