আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।।কুমিল্লায় পুকুরে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ৩নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের বলরামপুরে একটি সবজি চাষকৃত জমির পাশের ঝোপের ভিতরে নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করা হয়।
ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শিশুটির বাবা কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় ধর্ষক এবং তার দুই সহযোগীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামিরা হলো: কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার জয়পুর গ্রামের (বড় মসজিদের দক্ষিণ পূর্বদিকের মেম্বার বাড়ির সংলগ্ন বাড়ির সাইফুল ইসলামের ছেলে নান্নু (১৭), কুমিল্লা সদর উপজেলার বলরামপুর এলাকার মৃত হারুন মিয়ার ছেলে রাব্বী (১৬) এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার জয়পুর গ্রামের আব্দুলের ছেলে শরীফ।
পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাব্বী ও শরীফ নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে ধর্ষক নান্নুকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।মামলার সূত্র জানা যায়, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শিশুটি সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার দুপুরে বাড়ি থেকে ধর্ষণের ঘটনাস্থলের পাশ্ববর্তী পুকুরে মাছ ধরতে যায় শিশুটি। তখন অভিযুক্ত রাব্বী এসে শিশুটিকে ১০ টাকার প্রলােভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে অপর দুই অভিযুক্ত নান্নু ও শরীফ ঘটনাস্থলে যায়। তখন রাব্বী এবং শরীফের সহায়তায় নান্নু ভুক্তভোগী শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ওসি আনোয়ারুল হক বলেন, শিশু ধর্ষণের মামলার রাব্বী ও শরীফ নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার পর জবানবন্দির রেকর্ডের জন্য কুমিল্লা কোর্টে পাঠানো হয়েছে। আসামিদেরকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। ধর্ষক নান্নুকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযানে রয়েছে।
আমাদেরবাংলাদেশ/রিফাত