আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। সরকারি হটলাইন ‘৩৩৩’ নম্বরে ফোন করে ত্রাণ সহায়তা চাওয়ার কারনে লালপুরে শহিদুল ইসলাম নামে এক কৃষককে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত এবি ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার ও এবি ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য রেজাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। রোববার (১৯ এপ্রিল) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘করোনার কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাৎ, ভিজিডির চাল আত্মসাৎ, খাদ্য সহায়তা চাইতে আসা লোকজনকে মারধর, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দেশের সংকটময় মুহূর্তে এলাকায় অনুপস্থিত থাকা, উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় অনুপস্থিত ইত্যাদি কারণে ১২ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হল।
কৃষককে মারপিটকরা আলোচিত সেই ইউপি চেযারম্যান আব্দুস সাত্তারকে ১৭ এপ্রিল ও অভিযুক্ত অপর দুই আসামি এবি ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য রেজা এবং রুবেলকে ১৯ এপ্রিল গ্রেপ্তার করে নাটোর জেলা কারাগারে প্রেরণ করে লালপুর থানা পুলিশ।
এর আগে ১৫ এপ্রিল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, ৫নং ইউপি সদস্য রেজা ও সহযোগী রুবেলের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী কৃষক শহিদুল ইসলাম।
জানা গেছে, লালপুরের (এবি) ইউনিয়নের আঙ্গারিপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম করোনা ভাইরাসের কারনে বেকার হয়ে পড়ে। গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরে গত ১০ এপ্রিল সরকারি হটলাইন নম্বর ৩৩৩ তে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চান। এর দুইদিন পর (১২ এপ্রিল) স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার চৌকিদার দিয়ে তাকে ডেকে এনে মারধর করে।
এরপর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এ ব্যাপারে লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি বলেন, এ সংক্রান্ত কোন চিঠি তিনি এখনো পাননি।