সাংবাদিক টুটুল বলেন, হেফাজত কর্মীদের হামলার শিকার হয়ে এখনও শারীরিকভাবে অসুস্থ্য বোধ করছি। দুইবার ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছি। তারপরও পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারিনি। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এখনও ঔষধ সেবন করে যাচ্ছি। আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ প্রয়োজন।
টুটুল আরও বলেন, হামলার বিষয়টি আজও মনে পরলে ভয়ে আৎকে উঠি। সকলের দোয়া ছিল তাই আজও সংবাদ মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছি। তবে কারা হামলা করছিল পুলিশ আজও তা জানাতে পারেনি! এটাই আমার দু:খ! আশা করি কোন সংবাদকর্মীকে যেন এরকম ভয়াবহ ঘটনার মুখোমুখি হতে না হয়।
ওই সময়ে সাথে থাকা সহকর্মী বাগেরহাট জেলা মফঃস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল বলেন, মানুষ কতটা উন্মাদ হলে এ ধরনের হামলা করতে পারে তা আমি দেখেছি। তারা সংবাদকর্মীদের টার্গেট করে এ হামলা চালায়। আমি এর সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের চেয়ারম্যানও জয় বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক – প্রকাশক শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বলেন,আলী আকবর টুটুলের উপরহামলার সুষ্ঠু সুবিচার চাই।দোষীদেরসহ সব ঘটনার বিচার করতে হবে।দোষীদের বিচার না হলে অবক্ষয় বাড়বে।আজকে আমরা নতুন স্বপ্ন দেখছি। বিশ্বের দরবারে আমাদের মাথা উঁচু হয়ে গেছে।আজ বাংলাদেশ নতুন স্বপ্ন দেখতে পাচ্ছে।
বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আহাদ উদ্দিন হায়দার বলেন, প্রেসকাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টুটুলের উপর হামলার সুবিচার চাই। পুলিশ দায়িত্ববান হয়ে দোষীদের বিচার করবেন এ কামনা করি।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, হেফাজত কর্মীদের হামলায় সাংবাদিক, পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আহত হয়েছিল। উক্ত ঘটনায় ৬টি মামলা হয়েছিল। প্রত্যেকটি মামলা এখন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।