রাকিবুল হাসান রাকিব।। করোনা ভাইরাসের করাল থাবায় জয়পুরহাটে ক্ষতিগ্রস্থ পোল্ট্রি সেক্টরে আর্থিক প্রণোদনা,ব্যাংক সুদ মওকুফ,২% সুদে ব্যাংক ঋণসুবিধা সহ ঋণপরিশোধে সময় বাড়ানো এবং নাম মাত্র সুদে ঋণ সুবিধার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি। শনিবার দুপুরে পৌর কমিউনিটি সেন্টারে ক্ষতিগ্রস্থ পোল্ট্রি শিল্প মালিকদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি আনোয়ারুল হক আনু ।
করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের নির্দেশনা অনুসারে যানবাহন না চলায় এবং মানুষ ঘর থেকে বের না হওয়ায় ক্রেতাদের চাহিদাও কমে গেছে। সোনালী মুরগীর ১০ টাকার ডিম ৩ টাকায় ,একদিনে বাচ্চার দাম ১৪ টাকা থেকে নেমেছে ১ টাকায় ।এবং ১৮০ টাকা কেজির মুরগীর মাংস১৩০ টাকায় বিক্রি করে লোকসান গুনছেন হ্যাচারি মালিক এবং খামারিরা । এ অবস্থা স্বাভাবিক করতে এই সংবাদ সম্মেলন
সংবাদ সম্মেলনে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি জানান ,করোনার কারণে জেলায় ৯১০০ সোনালী মুরগীর খামার এবং ৪০০ লেয়ার খামার শিল্প ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। লক্ষ লক্ষ মুরগী,ডিম ও বাচ্চা অবিক্রিত থাকায় অবিরত লোকসানের কারণে জেলার পোল্ট্রি খাতে ধ্বস নেমেছে। লাখ লাখ শ্রমিকের বেতন সুবিধা আটকে গেছে। এ অবস্থায় সরকারের সহযোগীতা ছাড়া কোনভাবেই এ শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.মাহফুজার রহমান, জয়পুরহাট পৌর সভার মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সহসভাপতি আহসান কবির এপ্লব,জয়পুরহাট ডায়াবেটিক সমিতির সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন লেবু, সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল আজিজ মোল্লা, জেলা ফিড মিল এসোসিয়েশন এর উপদেষ্টা সাইফুল ইসলাম. জেলা ফিড মিল এসোসিয়েশন এর আহব্বায়ক ইসমাইল হোসেন টুকু, জেলা ফিড মিল এসোসিয়েশন এর যুগ্ম- আহব্বায়ক একরামুল হক,সোনালী পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশন এর আহব্বায়ক কবির আকবর চৌধুরী তাজ সহ অন্যরা।