ধামরাই সংবাদদাতা।। ঢাকার ধামরাইয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিন মাস আটকে রেখে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া গ্রামের মো. আব্বাস আলীর বাড়িতে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পুলিশ থানায় বসে রফাদফা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একাধিক সূত্র জানায়, ধামরাই পৌর শহরের উত্তর পাঠানটোলার অধিবাসী কামরুল ইসলাম উত্তরাঞ্চলের এক তরুণীকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দিয়ে ভাগিয়ে আনে। এরপর কেলিয়া গ্রামের মো. আব্বাস আলী বাড়ি ভাড়া নিয়ে তিন মাস আটকে রেখে ধর্ষণ করে।
ধামরাই থানা পুলিশের ড্রাইভার (সরকারি) মো. আবুল কালামের সহায়তায় বুধবার সকালে ওই তরুণী ধামরাই থানায় অভিযোগ করে।
এসআই খায়রুল ইসলাম এ ব্যাপারে মামলা না নিয়ে থানার টিনশেড ঘরে বসে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মাদ আলী ও সাবেক কাউন্সিলর মো. তোবারক হোসেন কামালকে সঙ্গে নিয়ে আপস মীমাংসা করে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও একে-অপরের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। এসআই বলেছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী ও সাবেক কাউন্সিলর মো. তোবারক হোসেনসহ বাদী ও বিবাদী মিলে থানায় বসে ঘটনাটি মীমাংসা করে। আমি শুধু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদেরকে থানায় হাজির করি। ভিকটিমকে যা কিছু ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে তা তারা নিজেরাই লেনদেন করেছে। এতে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এ ব্যাপারে কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি দুই পক্ষকে এসআই খায়রুল ইসলামের কাছে চাপিয়ে দিয়েছি। বাকি সব করেছে এসআই খায়রুল ইসলাম।
ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, বিষয়টি আমার নলেজে নেই। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না কিংবা আমাকে কেউ জানায়নি। যে কোনো নারী নির্যাতনের ঘটনায় থানায় অভিযোগ হলে তা মামলা হওয়ার কথা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও তিনি জানান।
ধামরাই/রাজু/রনক